কারা বেশি মিথ্যার অাশ্রয় নেন নারী নাকি পুরুষ?

নারীরা নাকি মনে এক আর মুখে আরেক। শুধু তাই নয়, ছলনাময়ী কিংবা মিথ্যাবাদী হিসাবেও নারীদের দুর্নাম বিস্তর। এ কথা প্রায় সকলের মাঝেই প্রচলিত যে নারীরা কারণে-অকারণে মিথ্যা বলেন।

লাইফ

কিন্তু, আসলেই কি তাই? আসলেই কি নারীরা পুরুষের তুলনায় বেশি মিথ্যা বলেন? গবেষণা কিন্তু বলছে ভিন্ন কথা। গবেষকদের মতে নারীরা নয়, বরং পুরুষেরাই মিথ্যা বলেন বেশি। আর তাই নারীর “ছলনাময়ী” খেতাবটি আসলে পুরুষেরই প্রাপ্য! সম্প্রতি ডেইলি মেইলে প্রকাশিত হয়েছে এই বিষয়ে একটি প্রতিবেদন। Continue reading

মেমোরি কার্ড থেকে মুছে গেলে ছবি ফিরিয়ে আনার জন্য

অনলাইন আয়োজনঃ কয়েকদিন আগে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে অনেকগুলো মনের মতো ছবি ফ্রেম বন্দী করেছিলেন তার মুঠোফোনে। আজ ঘুম থেকে ওঠার পর ছবিগুলো আর খুঁজে পাচ্ছেন না। কীভাবে যেন ছবিগুলো মুছে গেছে মেমোরি কার্ড থেকে। সেঁজুতির মতো এধরনের বিড়ম্বনার শিকার অনেকেই।

মেমোরি কার্ডের

এই বিপত্তির হাত থেকে বাঁচতে একটি সহজ এবং কার্যকর পদ্ধতি গ্রহন করতে পারেন।

আপনি যদি দেখেন আপনার প্রয়োজনীয় কোন ছবি মুছে গেছে, তাহলে ওই মেমোরি কার্ড থেকে অন্য কিছু মুছে ফেলবেন না কিংবা নতুন করে কোন ফাইল রাখবেন না। Continue reading

হাতির বিষ্ঠা থেকে তৈরী হয় বিশ্বের সবচেয়ে দামি কফি

অনলাইন আয়োজনঃ আইভরি কফি, পৃথিবীর সবথেকে দামী কফি। ঠোঁটে একবার ছোঁয়ালে তার স্বাদ ভুলতে পারবেন না আমৃত্যু।

কফি

এক কাপ কফির জন্য দাম চোকাতে হবে ৪২০০ ডলার। কিন্তু এই মহার্ঘ্য কফির কিভাবে তৈরি হয় তা জানলে হয়ত কফির স্বাদ দ্বিতীয়বার নিতে চাইবেন না। কারণ এই আইভরির কফির স্বাদের পিছনে রয়েছে হাতির মলের অবদান। হাতির বিষ্ঠা থেকেই তৈরি হয় দুর্মূল্য ও বিশেষ স্বাদের এই কফি। Continue reading

ফেসবুক থেকে আনফ্রেন্ড করবেন ৭ রকমের মানুষ

অনলাইন আয়োজনঃ একবিংশ এই শতাব্দীতে ফেসবুক ব্যবহার করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশ দুষ্কর কাজ হয়ে যাবে। পুরো পৃথিবীই ডিজিটাল পৃথিবী হয়ে গেছে। তাই সবারই অন্তত একটা করে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাকবে এটাই স্বাভাবিক। ফেসবুক মূলত এক ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যা মানুষের মাঝে সামাজিকতা দৃঢ় করতে সহায়ক। কিন্তু আপনি আপনার ফেসবুক আইডিটি খুঁজে দেখবেন এমন কিছু ফেসবুক ফ্রেন্ড রয়েছে যারা আপনার জীবনের জন্য অপ্রয়োজনীয়। আপনি হয়তো বা নিজেই জানেন না কোন ঝোঁকের মাথায় তাকে আপনি ফ্রেন্ড বানিয়ে ফেলেছেন। তাই জেনে নিন এমন কয়েকটি ফেসবুক ফ্রেন্ড সম্পর্কে যাদের আনফ্রেন্ড করা উচিৎ এই মুহুর্তেই। কেননা এরা বিরক্তিকর, আপনার যোগ্য নয় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দারুণ ঝামেলাও তৈরি করতে পারে। নিজেকে নিরাপদ রাখতে এদের এড়িয়ে চলাই মঙ্গলজনক।

ফেসবুক আনফ্রেন্ড

একদম অপরিচিত যে কেউ :

এমন অনেক ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট হয়ত আপনি এক্সেপ্ট করেছেন যাদের আপনি একেবারেই চেনেন না বা জানেন না। কোন মিউচুয়াল ফ্রেন্ডও নেই। এমন কেউ যদি আপনার ফ্রেন্ড হয়ে থাকে তবে তাদের আনফ্রেন্ড করাটাই শ্রেয়। কেননা আপনাকে চেনেন এমন ফ্রেন্ড আপনাকে যেভাবে মূল্যায়ণ করবেন তারা সেভাবে নাও করতে পারে। অবশ্য নারী এবং পুরুষের ক্ষেত্রে বিষয়টি একেবারেই ভিন্ন। বিরক্তের বিষয়টি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তৈরি হয় পুরুষদের কাছ থেকে।

অযোগ্য ফ্রেন্ড :

খেয়াল করে দেখুন এমন গুটি কয়েক ফ্রেন্ডকে হয়ত আপনি এক্সেপ্ট করেছেন যাদের যোগ্যতা একেবারেই আপনার পর্যায়ে নয়। অর্থাৎ যেকোনো ধরনের যোগ্যতার দিক থেকে সে বা তারা আপনার ফ্রেন্ড সার্কেলের উপযুক্ত নয়। এমন ফ্রেন্ডদেরকে অবশ্যেই আনফ্রেন্ড করা উচিৎ। অযথা মেলামেশা বাড়াবার আগেই।

 ফেইক ফ্রেন্ড :

আজকাল ফেইক আইডির সাথে বন্ধুত্ব করেছেন এমন অনেকেই আছেন। এরা আসলে ছদ্মবেশী হয়ে থাকে। এই ধরনের অ্যাড্রেসগুলো খুঁজে বের করতে ভালোভাবে লক্ষ্য করুন এদের ফ্রেন্ড সার্কেলটি বা ফটো গ্যালারিটি। খুব কম তথ্যসম্পন্ন আইডিগুলোই সাধারণত এই ধরনের ফেইক আইডি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এদেরকে খুঁজে বের করে আনফ্রেন্ড করুন।

ধর্ম গোঁড়া ফ্রেন্ড :

এমন অনেক আইডির সাথে হয়ত আপনার পরিচয় হবে যারা অনেকটাই ধর্ম গোঁড়া মানসিকতা ধারণ করেন। আসলে এদের ভালোভাবে চেনার উপায় নেই। তবে এরা আপনার যেকোনো স্ট্যাটাসে ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে অযথা কতগুলো কমেন্ট করতে পারেন। এমন সন্দেহপ্রবণ যেকোনো ফ্রেন্ডকে আপনি আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে বের করে দিতে পারেন।

বন্ধুর প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকা :

আপনার বন্ধুর প্রাক্তর প্রেমিক বা প্রেমিকাকে অবশ্যই আপনার ফেন্ডলিস্ট থেকে ডিলিট করে দেবেন। কারণ যেখানে আপনার বন্ধুটি তার সাথে আর সম্পর্ক রাখেননি সেখানে আপনার তার সাথে ফ্রেন্ডশিপ রাখা মানে আপনার বন্ধুটির ক্ষতি বা বন্ধুটির মনক্ষুণ্ন হওয়া।

আপনার প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকা :

এই বিষয়টিও একই ধরনের অর্থাৎ আপনার বন্ধুর প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে বন্ধুত্ব না রাখার মত বা এর চেয়েও জটিলতর। তাই অন্তত এমন কাউকে আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে না রাখাই শ্রেয়।

অসুস্থ মানসিকতার ফ্রেন্ড :

ফেসবুকে এমন অনেক ফ্রেন্ড রয়েছে যারা অসুস্থ মানসিকতার হয়ে থাকেন। এরা নিজের প্রোফাইলে বাজে ধরনের অ্যাকটিভিটিস করে থাকেন। এই ধরনের অসুস্থ ফ্রেন্ডদের থেকে দূরে থাকাই ভালো।

তথ্যসূত্র : www.huffingtonpost.com/ ট্রুনিউজবিডি,লাইফ:

‘সেলফি’ এবার ত্বকের সমস্যা সমাধান করবে !

অনলাইন আয়োজনঃ আপনি ত্বকের সমস্যায় ভুগছেন, কিন্তু কিছুতেই ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সময়টুকু জোগাড় করতে পারছেন না? অথবা যাতায়াতের সমস্যা বা দূরত্বের কারণে যেতে পারছেন না। তাহলে টুক করে আক্রান্ত অঞ্চলের একটা সেলফি তুলে ফেলুন। সেই সেলফি পাঠিয়ে দিন আপনার চর্ম বিশেষজ্ঞের কাছে।

অনলাইন আয়োজন

নতুন এক গবেষণা অনুযায়ী, সেলফি একজিমার মত ত্বকের সমস্যাকে চিহ্নিত করে তার নিরাময়ে সাহায্য করে।

কোলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক এপ্রিল আর্মস্ট্রংয়ের নেতৃত্বাধীন এক গবেষণায় প্রকাশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজিমা আক্রান্ত ৭৮ জন সেলফির মাধ্যমে ডাক্তারদের কাছ থেকে অনলাইন চিকিৎসা পেয়েছেন। অন্য ৭৮জন একজিমা আক্রান্ত সরাসরি ডাক্তারদের কাছে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

রোগীরা নিজেদের ত্বকের সমস্যার ছবি তুলে অনলাইনে ডার্মাটোলজিস্টদের কাছে পাঠিয়েছিলেন। ডাক্তাররা সেই ছবির ভিত্তিতে রোগ নিরাময়ের জন্য প্রয়োজনীয় কী কী ওষুধ লাগবে ওনলাইনেই তার হদিস দিয়ে দিয়েছেন। এক বছর পর দেখা গেছে সরাসরি ডাক্তারদের কাছে গিয়ে যারা চিকিৎসা নিয়েছিলেন তাদের ৪৪% ক্ষেত্রে একজিমা সম্পূর্ণ বা প্রায় সেরে গেছে। অন্যদিকে, অনলাইনে চিকিৎসা যারা নিয়েছিলেন তাদের ক্ষেত্রে এই নিরাময়ের হার ৩৮%। তথ্যঃ ট্রুনিউজবিডি

প্রিয় মানুষটির ব্যাপারে ৮টি কথা জেনে রাখা জরুরী

অনলাইন আয়োজনঃ একটু ভাবুন, নিজের মনের মানুষটির ব্যাপারে আপনি সবকিছু জানেন তো? সত্যি কথা কিন্তু এটাই যে যতই প্রেম-ভালোবাসা থাকুক না কেন একজন মানুষ সম্পর্কে সবকিছু জেনে ফেলা যায় না। আর যায়না বলেই বিয়ের পর দেখা দিতে থাকে নানান রকম সমস্যা কিংবা মানুষ হয় প্রতারিত। আর এই ঝুঁকি কমিয়ে আনতে কিছু জিনিস জেনে রাখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

১) তার কিংবা তার পরিবারের উপার্জনের উৎসগুলো কী কী?

তিনি আপনার মনের মানুষ বলেই কোন অপরাধ মূলক বা অনৈতিক কাজের সাথে যুক্ত নন, এটা ভাবাটা বোকামি। কেবল তিনিই নয়, তার মা-বাবা-ভাই-বোন তথা সম্পূর্ণ পরিবারের পেশা সম্পর্কেই বিস্তারিত জেনে নেয়া খুবই জরুরী।

২) পরিবারে কোন মানসিক রোগী আছে কি?

মানসিক রোগ, উন্মাদনা ইত্যাদি ব্যাপারগুলো অনেক কারণেই হতে পারে। তবে পরিবারে কেউ মানসিক রোগী থাকলে অন্য কারো মাঝেই জেনেটিকভাবে এই রোগ হবার প্রবণতা দেখা যায়। হয়তো আপনার মনের মানুষের নেই, কিন্তু আপনার ভবিষ্যৎ সন্তানদের হতে পারে। তাই জেনে রাখাটা জরুরী।

৩) খোঁজ খবর নেয়া উচিত তাঁদের স্থায়ী ঠিকানা ও পরিচিত জনেরা কী বলেন তাঁদের ব্যাপারেঃ

স্থায়ী নিবাস আসলেই আছে কিনা কিংবা সেখানে আত্মীয় বা পাড়া প্রতিবেশীরা তাঁদের সম্পর্কে কী বলেন, এই ব্যাপারটি হাস্যকর মনে হলেও ফেলনা নয়। কারণ সেটা জানলে বুঝতে পারবেন পরিবার হিসাবে তাঁরা কেমন, এবং সমাজের অন্যদের কাছে তাঁদের অবস্থান কী।

৪) রোগ বালাইয়ের ইতিহাস –

কেবল মনের মানুষ নয়, তার পরিবারের অন্যান্য রোগ বালাইয়ের ব্যাপারেও জেনে রাখা উচিত আপনার। অনেক অসুখই আছে যেগুলো জেনেটিক এবং আজকাল এসব জেনেটিক ডিসঅর্ডার খুব বেশি হতে দেখা যায়। একই সাথে মনের মানুষটির রোগ বালাইয়ের ব্যাপারে জেনে রাখা আপনার স্বাস্থ্যের জন্যও জরুরী।

৫) আজ থেকে ১০ বছর পর নিজেকে তিনি কোথায় দেখতে চান-

যে মানুষটির সাথে জীবন কাটাতে চান, তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জেনে রাখাটা কি জরুরী নয়? নাহলে বুঝবেন কীভাবে যে একসাথে জীবন কেমন হবে।

৬) আপনার জন্য তিনি কী কী করতে আগ্রহী?

ভালোবাসা আছে ভালো কথা। কিন্তু আপনার জন্য তিনি কী কী করতে পারবেন, কতদূর যেতে পারবেন? কিছু ছোট ছোট পরীক্ষায় বিষয়টি জেনে নেয়ার চেষ্টা করুন।

৭) তার পরিবার সম্পর্কে বিস্তারিত-

তার পরিবারের মানুষগুলো কেমন, এটা জেনে নেয়া খুবই জরুরী। কেননা সেই মানুষগুলো একসময় আপনারও আপনজন হবেন।

৮) একজন অসুস্থ, অক্ষম স্বামী/স্ত্রী সম্পর্কে তিনি কী ভাবেন-

জীবনের কথা কেউ বলতে পারে না। একটা বড় ধরণের অসুখে আপনি অসুস্থ বা অক্ষম হয়ে যেতেই পারেন। তখন মনের মানুষটির কী রি অ্যাকশন হবে? অনেকেই আছেন যারা স্বামী বা স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ত্যাগ করেন বা অবহেলা করেন। বিশেষ করে পুরুষেরা। আপনার মনের মানুষটি এই ব্যাপারে কী ভাবেন, সেটাও জেনে রাখতে হবে বৈকি।

সূত্র- এলিট ডেইলি/ট্রুনিউজবিডি,লাইফ।

মুচমুচে ‘আলুর চিপস’ঘরেই তৈরি করুন

অনলাইন আয়োজনঃ শীতের বিকেলে ধোঁয়া ওঠা এক কাপ চা বা কফির সাথে মুচমুচে কিছু স্ন্যাকস খাওয়ার ইচ্ছা জাগে সকলের মনেই। বিশেষ করে আড্ডায় তো ভাজাভাজি ধরণের স্ন্যাকস ছাড়া জমেই উঠে না। কেমন হয়, যদি এই সময় পাওয়া যায় মুচমুচে আলুর চিপস? না, প্যাকেটজাত আলুর চিপসের কথা বলছি না। তবে ঘরে খুব সহজেই তৈরি করে নেয়া যায় মুচমুচে আলুর চিপস। ঘরে তৈরি চিপসগুলো খেতে সুস্বাদু হয় এবং সেই সাথে কেমিক্যাল মুক্তও থাকে। Continue reading

দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার ৬টি মূলমন্ত্র

অনলাইন আয়োজন: শুধু ভালোবাসা দিয়েই একটি সম্পর্ককে সুখী ও সুন্দর করা যায় না। তখন জীবন আরও জটিল হয়ে পড়ে।  আজকাল দম্পতিগুলোর মূল সমস্যাই হলো পারস্পরিক বোঝাপড়া। আর একারণেই ভেঙে যাচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর সর্ম্পক।

তবে সুখী দম্পতিরা বৈবাহিক সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী করতে সবসময়ই কিছু কাজ করে থাকেন। দাম্পত্য জীবনে কিভাবে সুখী থাকা যায় তেমনই ৬ মূলমন্ত্র নিয়ে আলোচনা করা হলো।

বিশ্বাস ও স্বচ্ছতা : বিশ্বাসই হলো সম্পর্কের মূল ভিত্তি। এর মাধমেই সম্পর্কটা আরো মজবুত হয়। বিশ্বাস তখনই আসে যখন সম্পর্কে একে অপরের প্রতি স্বচ্ছতার সৃষ্টি হয়। যেখানে বিশ্বাস ও স্বচ্ছতা দুটোই থাকবে সেখানে সম্পর্ক সফল ও দীর্ঘস্থায়ী হতে বাধ্য।

পরস্পরকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করা : দাম্পত্য জীবনের আরেকটি মূলমন্ত্রই হলো একে অপরকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করা। একে অপরের মতামত ও ইচ্ছা অনিচ্ছার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া। এতে সম্পর্কে গভীরতা আসে এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়।

ভুল বোঝাবোঝির অবসান : একসঙ্গে থাকতে গেলে সামান্য কারণে ভুল বোঝাবোঝি হতেই পারে। অনেক সময় তা সম্পর্ক ভাঙা পর্যন্তও গড়ায়। তাই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চাইলে সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলে ভুল বোঝাবুঝি দূর করুন। এতে একে অপরের সম্পর্কে শুধু ভালো ধারণাই তৈরি হবে না, বরং সম্পর্কেও মধুরতা আসবে।

সহনশীলতা ও সহানুভূতির মনোভাব : সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী করতে দুপক্ষেরই সহনশীলতা ও সহানুভূতির মনোভাবের প্রয়োজন রয়েছে। কারণ এই মনোভাবের কারণেই দুজনের মধ্যে যে পারস্পরিক সমঝোতার সৃষ্টি হয়, সেটিই দীর্ঘস্থায়ী সফল বৈবাহিক সম্পর্কের মূলমন্ত্র।

শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে ভালো সম্পর্ক  : বিয়ে মানেই কিন্তু শুধু দুজনের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করা নয়; সম্পর্ক তৈরি হয় দুটি পরিবারের মধ্যেও। সম্পর্কের গভীরতা, স্থায়িত্ব অনেকাংশেই নির্ভর করে পরিবারের ওপর। স্বামী ও স্ত্রীর একে অপরের পরিবারের প্রতি দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের মাধ্যমেও প্রকাশ হয় একে অপরের প্রতি মায়া মমতা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। আর দু’পক্ষের বন্ধন যতোটা গাঢ় হবে সম্পর্ক ততোটাই সফল হবে।

সম্পর্কে মধুরতা ধরে রাখা : দাম্পত্য জীবনে পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকেই সম্পর্কের মধুরতা হারিয়ে ফেলেন। এতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দূরত্বের সৃষ্টি হয়। সম্পর্ক সফল ও দীর্ঘস্থায়ী করতে সম্পর্কে যে কোনো মূল্যে মধুরতা ধরে রাখা জরুরি। এক্ষেত্রে মাঝমাঝে কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন, তাকে আগের মতোই ভালোবাসার কথা বলতে পারেন, ছোটখাট বিষয়ে তার প্রশংসা করেও সম্পর্কে মধুরতা ফিরিয়ে আনতে পারেন। তবেই সম্পর্ক সফল ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। তথ্যঃ ট্রুনিউজবিডি,লাইফ

যে ৮ টি কাজের মাধ্যমে জয় করতে পারবেন নারীর মন

অনলাইন আয়োজনঃ আজকাল পুরুষেরা নানান বিচিত্র উপায়ে নারীর মন জয়ের চেষ্টা করেন, কিন্তু সত্য কথাটা এই যে কিছু সাধারণ কাজেই যে কোন নারীর মন আজীবনের জন্য জিতে নিতে পারবেন আপনি। হ্যাঁ, এই সাধারণ ভদ্রতা সূচক কাজগুলো আজকাল আর পুরুষেরা করেন না। আর করেন না বলেই নারীদের কাছে সেটা ভীষণ আকর্ষণীয়। চলুন, জেনে নিই।

১) দরজাটা খুলে দেয়া

পছন্দের মেয়েটিকে নিয়ে কোথাও বেড়াতে যাচ্ছেন? রেস্তরাঁ কিংবা গাড়ির দরজাটি তার জন্য খুলে ধরুন। এমনকি প্রেমিকা বা স্ত্রী ছাড়াও অন্য মেয়েদের জন্য কাজটি করুন। এটি একজন আদর্শ পুরুষের খুবই সাধারণ ভদ্রতা।

২) তাঁকে কোথাও উঠতে বা বসতে সাহায্য করা

রিকশায় বা অন্য কোন বাহনে উঠতে সাহায্য করা, কিংবা রেস্তরাঁয় বসার সময় চেয়ারটি টেনে দেয়া। এগুলোও খুবই সাধারণ ভদ্রতা পুরুষের জন্য। আমাদের দেশে এটার চর্চা নেই, কিন্তু পশ্চিমা সমাজে আছে। তাই নারীদের কাছে এটা খুবই আকর্ষণীয়।

৩) রেস্তরাঁয় সঙ্গের নারীটিকেই অর্ডার করতে দেয়া

সাথে যে নারী আছেন, তাঁকেই প্রথমে অর্ডার করতে দিন। আপনি পরে করুন বা নিজের পছন্দ তার ওপরে চাপিয়ে দেবেন না। স্ত্রী বা প্রেমিকা হলেও না।

৪) মেয়েটির উপস্থিতিতে অন্য কোন নারীর দিকে না তাকানো

মেয়েদের দিকে তাকান কমবেশি সকল পুরুষই। কিন্তু সাথে অপর একজন নারী থাকলে কাজটি মোটেও করবেন না, সম্পূর্ণ মনযোগ তাঁকেই দিন। আর দেখুন, কীভাবে আপনার প্রতি তার ধারণা বদলে যায়!

৫) কপালে চুমু খাওয়া

এই কাজটি একজন নারী যে কি ভীষণ ভালোবাসেন, সেটা জানেন কেবল নারীরাই। কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত হয় ভালোবাসা, মমতা ও হৃদয়ের উষ্ণতা।

৬) ফুল উপহার দেয়া

নারীরা ভীষণ ভালোবাসেন ফুল উপহার পেতে। রাগ বা অভিমান করলে ফুল তো দেবেনই, বিনা কারণেও তাঁকে কিনে দিন ফুল। ভীষণ খুশি হয়ে উঠবেন। আর সেই ফুল খোঁপায় পরিয়ে দিলে তো কথাই নেই।

৭) হাত ধরে পাশপাশি হাঁটা

ব্যস্ত জীবনে চলার পথে একটু পাশাপাশি হাঁটুন কখনো। আর সেই সময়ে ধরে থাকুন তার হাত। সম্পর্কটি হয়ে উঠবে অটুট।

৮) মেয়েটির পরিবারের সাথে সময় কাটানো

প্রত্তেক নারীই চাজ স্বামী বা প্রেমিক তার পরিবারকে ভালবাসুক। এই কাজটি যখন আপনি আন্তরিকভাবে করবেন, পছন্দের নারীর মন জিতে নেবেন আজীবনের জন্য।

সূত্র-ট্রুনিউজবিডি লাইফ/এলিট ডেইলি

চুল সুন্দর রাখার জন্য যা করণীয়

আমাদের দেশে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়ারও পরিবর্তন হয় এই পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগে আমাদের মনে, দেহে, চুলে সব জায়গাতেই।এসময়ে চুলের যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, ওমেন্স ওয়ার্ল্ডের অন্যতম পরিচালক রূপ বিশেষজ্ঞ ফারনাজ আলম।

চুল সুন্দর রাখতে আমাদের যা করতে হবে:

সপ্তাহে ২-৩ বার শ্যাম্পু করতে হবে রাতে ভাল করে তেল ম্যাসাজ করুন।

চুলের ডগা ফেটে যাওয়া, রোদে পোড়ার হাত থেকে রেহাই পেতে হলে চুল ট্রিম করিয়ে নিন

চুল ছোট না করতে চাইলে টুপি ব্যবহার করতে পারে, স্কার্ফ বা ক্লিপ দিয়ে চুল বেধেও রাখতে পারেন
তবে বেশি টাইট করে চুল বাধবেন না

খেয়াল রাখবেন চুলের মধ্যে যেন হাওয়া চলাচল করতে পারে।

ধুলো-ময়লা জমে অনেক সময় চুল নিস্তেজ হয়ে যায়। অলিভ অয়েল, নারকেল তেল ও ক্যাস্টর অয়েলের সঙ্গে মেথি পেস্ট মিশিয়ে মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন, চুল ঘন ও উজ্জ্বল থাকবে।

দইয়ের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে চুলে দিন। তারপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

দুই ভাগ অলিভ অয়েল, এক ভাগ মধু মিশিয়ে পুরো চুলে লাগান। ১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানিতে চুল শ্যাম্পু করে নিন। এভাবে অলিভ অয়েলের সঙ্গে কলা চটকেও চুলে দিতে পারেন।

চুলে শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ডের কন্ডিশনার লাগান।

চুলের জন্য জোজোবা অয়েল খুব উপকারী। নিয়মিত চুলের ডগায় জোজোবা অয়েল লাগালে চুল নরম হয়। বড় কসমেটিক স্টোরে জোজোবা ওয়েল পাওয়া যায়।

বাইরে বেরোনোর সময় চুল বেঁধে রাখুন। বাইরের রোদ ময়লা থেকে অনেক খানি রক্ষা পাবেন।

নিয়মিত শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন, চুলের জন্য শ্যাম্পু নয়, ক্ষতিকর হচ্ছে ময়লা
সপ্তাহে অন্তত দুই দিন চুলে তেল দিন
সারারাত তেল রাখতে না চাইলে অন্তত দুই ঘণ্টা রাখুন শ্যাম্পুর পর অবশ্যই ভালো কোনো কন্ডিশনার লাগিয়ে ২ থেকে ৪ মিনিট অপেক্ষা করুন, তারপর পানি দিয়ে ভালো করে চুল ধুয়ে নিন।

চুলে যতটা সম্ভব হিট দেওয়া, আয়রন করা এবং কেমিক্যাল জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার কম করুন ।
চেষ্টা করুন সপ্তাহে একদিন চুলের বাড়তি একটু যত্ন নিতে
টক দই চুলের জন্য খুব ভালো। সঙ্গে একটি ডিম ও একটি লেবুর রস মিলিয়ে চুলে দিয়ে ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করুন ।

যদি চুল পড়া শুরু হয়, তাহলে মেহেদি, পেঁয়াজের রস ও টক দই লাগান। কয়েক দিনের মধ্যেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

চুলের পরিচর্যার পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় পুষ্টিকর, স্বাস্থ্যসম্মত ও কম তেল-মশলাদার খাবারের দিকে নজর দিন।

একসঙ্গে সব কিছু করা হয়তো শুরুতে বেশ ঝামেলার ব্যাপার মনে হবে। ধীরে ধীরে অভ্যাস করুন, দেখবেন আপনি খুব সহজে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। এগুলো আপনার অজান্তেই  দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে যাবে। তথ্যঃ ট্রুনিউজবিডি: