Keyword কী ও Keyword এর গুরুত্ব। Keyword নির্বাচনের জন্য কিছু টুলস ও টিপস।

Keyword কী ও এর গুরুত্ব

সাধারন কথায় keyword হল ওই সকল শব্দ যা লিখে কেউ গুগল এ সার্চ দেয়। যেমন আপনার health বিষয়ে সাহায্য দরকার তখন আপনি গুগল এ গিয়ে health tips লিখে সার্চ দিলেন, এখানে এই health tips শব্দ দুইটিই হল কীওয়ার্ড।

তার মানে আপনি যদি আপনার সাইট কে গুগল এ রেংকে আনতে চান তাহলে আগে আপনাকে আপনার ওয়েব সাইটের জন্য নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড নির্বাচন বা বাছাই করতে হবে। এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

keyword research কেন করবেন?

১. ব্যক্তি যখন  kewword ব্যবহার করে তাদের প্রয়োজনীয় সমাধান খোজে
২. SE (search Engine) চাই সব সময় best result দেখাতে
৩. আপনার জানা উচিৎ কোন  keyword বেশি খোজা হচ্ছে
৪. সব থেকে প্রধান কারণ হল, keyword research tools আপনাকে সহযোগীতা করে এটা জানার জন্য যে, ওয়েবে কি খোজা হচ্ছে এবং কি খোজা হচ্ছে না

keyword research এর জন্য অনেক ধরনের tools অনলাইনে রয়েছে। তার মধ্যে Google Adwords, wordtracker, keyword discovery etc অন্যতম।

Google ad words ব্যবহার করে অধিকাংশ মানুষ – এটা অনেক দ্রুত ও ফ্রিতে ব্যবহার করা যায়।

keyword নির্বাচন করার জন্য কিছু টুলস ও টিপস!

আপনি যে কোন সাইট তৈরি করার আগে আপনাকে অবশ্যই ঠিক করতে হবে যে, আপনি কোন বিষয়ের উপর আপনার সাইট তৈরি করতে চান। প্রত্যেকটি ওয়েবসাইট এই উদ্দ্যেশ্যই তৈরি হয় যেন গুগল থেকে প্রতিদিন প্রচুর ভিজিটর আনতে পারে। আর এই জন্য আপনার সাইটের keyword নির্বাচন অতিব গুরুত্বপূর্ণ। এখন মূল বিষয় হচ্ছে আপনি আপনার সাইটের জন্য কোন keyword নির্বাচন করতে চান? প্রথমে আপনাকে এমন একটি বিষয় খুজে বের করতে হবে যেটা নিয়ে প্রতিদিন গুগল এ প্রচুর সার্চ দেয়া হয় কিন্তু এই সম্পর্কিত সাইটের সংখ্যা অনেক কম। ফলে সহজেই আপনি আপনার সাইটটিকে গুগল এর প্রথম পেইজে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই কাজটি করার জন্য আপনাকে একটি চমৎকার টুলবারের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। এটির নাম হল google adword tool bar. এই টুলের সাহায্যে আপনি যে কোন একটি বিষয় এর নাম লিখলেই গুগল আপনাকে দেখাবে ওই বিষয়টি প্রতি মাসে কতবার গুগলে সার্চ দেয়া হয়, এই সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের সংখ্যা কোন ধরনের, আপনাকে এদের সাথে টেক্কা দিতে কতটা পরিশ্রম করতে হবে ইত্যাদি। টুল বারটিতে ঢুকতে প্রথমে Keyword Planner লিখে google এ সার্চ দিতে হবে, ফলে প্রথমে যে result টি দেখতে পাবেন সেটিতে ক্লিক করুন। তারপর আপনার গুগল id দিয়ে লগইন করুন, তারপর box এ একটি বিষয় লিখুন, তারপর একটি captcha entry করুন, প্রথমবার শুধুমাত্র captcha দিতে হয় পরে আর নাও লাগতে পারে। এবার enter দিন। এবার দেখুন যাদু। এবার আপনার মন মত keyword খুজে বের করতে পারেন।

Keyword Research এর নিয়ম:

সঠিক কি-ওয়ার্ড নির্বাচন একটি ওয়েবসাইটের এসইও এর জন্য প্রধান অংশ । সঠিক কিওয়ার্ড এর উপর আপনার সাইটের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে। তাই কিওয়ার্ড নির্বাচনের জন্য শুধু মাত্র একটি ওয়েবসাইটের উপর নির্ভর করা উচিত নয়।আসলে এটার কোন নির্দ্দিষ্ট নিয়ম নেই, বাজারে অনেক paid tool রয়েছে, যা দিয়ে খুব সহজ ভাবে সঠিক keyword research করা যায়। কিন্তু আমরা paid tools ব্যবহার করব না, তাই আমাদের keyword research এর basic procedure জানা উচিৎ।

Wordstream
ওয়ার্ডস্ট্রিম তার সমৃদ্ধ ডাটাবেজ ঘেকে আপনাকে অংসখ্য কিওয়ার্ড আইডিয়া শেয়ার করবে । প্রচলিত অনেক পেইড টুলস থেকে ওয়ার্ডস্ট্রিম অসাধারণ কিছু সার্ভিস প্রোভাইড করবে। এসইও এর জন্য নি:সন্দেহে একটি অসাধারন টুল এটি।

Untitled

Keyword Eye Basic

Keyword Eye Basic ও একটি কিওয়ার্ড সাজেশন টুল। যা আপনাকে সঠিক কিওয়ার্ড খুজে পেতে সহায়তা করবে যা আপনার সাইটের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেন বা এসইও এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখবে ।

123

Übersuggest

সাজেশন টুলস গুগল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জনি থেকে তথ্য প্রদান করে। লং টেইল কিওয়ার্ড খুজে পাওয়ার জন্য এই টুলসটি ব্যবহার করতে পারেন।

34

Keyword Research এর সময় ৭টা বিষয় বিবেচনা করা উচিৎ:

. Brainstorming (কোন বিষয়ে চিন্তা করা

আমার Target Market কে বা কোথায় এবং ঐ বিষয়ের উপর keyword নিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন এবং আমি কি স্থানীয়ভাবে না দেশের মধ্যে, নাকি সারা বিশ্বের সাথে প্রতিযোগীতা করতে চাচ্ছি। আমার Target Market এর উপর কি লিঙ্গ, বয়স ঐ দেশের Income এর কোন যোগসূত্র আছে, যদি থাকে তাহলে কিভাবে আমার desired keyword এর উপর প্রভাব ফেলবে। যেমন: আপনার যদি একটি Furniture এর শোরুম থাকে শুধুমাত্র একটি জেলাতে, তাহলে আপনার keyword হতে পারে Khulna Furniture এই ধরনের আবার আপনার যদি Otobi এর মত একটি প্রতিষ্ঠান থাকে তাহলে আপনাকে বাংলাদেশে ব্যাপী চিন্তা করতে হবে।

সঠিক keyword selection এর জন্য আপনি আরো যে কাজ করতে পারেন, তা হল আপনি আপনার target customer, sales people, friend and relatives দের জিজ্ঞাসা করতে পারেন তারা ঐ বিষয়ে search করতে হলে কোন wordটা বাছাই করত। এমনও হতে পারে, আপনি যে technical terms চিন্তা করছেন, তাদের সাথে তা নাও মিলতে পারে। আপনি আপনার বিষয় সম্পর্কিত বিভিন্ন Online forum/blogs visit করতে পারেন। আপনি আপনার Competitors এর ওয়েবসাইট visit করে সেখান থেকে ধারনা নিতে সে কি করছে, কোন ধরনের keyword ব্যবহার করছে ইত্যাদি। তারপর আপনার idea গুলো একটা কাগজে লিখে রাখুন।

. keyword গুলোকে বিভিন্ন বিষয়ানুযায়ী ভাগ করা

আপনার product অথবা service অনুযায়ী একের অধিক keyword set তৈরি করুন। অনেক সময় এই step টা সঠিক ভাবে করা সম্ভব নাও হতে পারে, কারন আপনি যতক্ষণ না keyword research করছেন, ততক্ষণ আপনি জানতে পারবেন না, অন্যরা কোন ধরনের search term ব্যবহার করছে। তাই অনেক সময় এই ধাপটা research এর আগেও করা হয়। যখন যেভাবে সুবিধা হয়।

. research করা

keyword research করার জন্য আপনি keyword research tools ব্যবহার করতে পারেন। যে কোন ক্যাটাগরি একটা seed phrase পছন্দ করুন ।
অথবা যদি আপনার একটি ওয়েবসাইট থেকে থাকে, তাহলে আপনি সরাসরি google keyword research tool এ আপনার desired url টি প্রবেশ করান।

. compile বা সংকলন করা

এখন keyword research tools থেকে Export spreadsheet করুন।
যদি প্রয়োজন মনে করেন তাহলে keyword গুলোকে Re-categorize করতে পারেন

. remove বা অপসারণ করা

spreadsheet খোলা থাকা অবস্থায় কোন non-relevant phrases বাদ দিতে পারেন।
যেসব keyword এর search count low সেগুলো বাদ দিন। এক্ষেত্রে অবশ্যই সর্তকতা অবলম্বন করুন। দরকার হলে আপনার ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞাসা করুন।

. Determine Competitiveness

এখানে আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আপনি কি অনেক বেশী প্রতিযোগীতা চান নাকি অল্প। প্রতিটা Phrase এর একটি আলাদা আলাদা competitiveness আছে। এখন আপনি যদি সবাই যে phrase এর পিছনে দৌড়াচ্ছে, আপনিও তার পিছনে গেলে আপনার জন্য target achieve করা কঠিন হয়ে যাবে। তাই এমন keyword ঠিক করতে হবে যা থেকে প্রয়োজনীয় ভিজিটর পাওয়া যাবে, আবার প্রতিযোগীতাও কম থাকবে।

Competitiveness অনুযায়ী phrase গুলোকে ৩ভাগে ভাগ করা যায়:

  • highly competitive
  • fairly competitive
  • non-competitive

. সঠিক keyword select করুন

এই ধাপগুলো শেষ হয়ে গেলে আপনি খুব সহজেই আপনার keyword গুলো পছন্দ করতে পারবেন। keyword select করার সময় নিচের বিষয়গুলোর উপর লক্ষ্য রাখুন:

  • number of searches
  • relevancy to your web site (ওয়েব সাইটের সাথে প্রাসঙ্গিক কিনা)
  • competitiveness level

 

এখানে আরো কিছু বিষয় বিবেচনা করতে হয় যেমন, আপনার সাইট যদি নতুন হয় তাহলে একধরনের strategy আবার সাইট যদি পুরানো হয় তাহলে আর একধরনের strategy follow করতে হবে। এজন্য আপনারা নিচের graph টা দেখতে পারেন।

সাধারনত এটা মনে করা হয় যে, allintitle 1000 এর নিচে থাকলে Non-competitive, 1000-3000 পর্যন্ত fairly competitive, 3000-5000 পর্যন্ত competitive and তার উপরে highly competetive.
কাজেই আপনার সাইট যদি অনেক জনপ্রিয় ও aged হয় তাহলে আপনি র্নিদ্বিধায় competitive বা highly competitive কিওয়ার্ড বাছাই করতে পারেন, কিন্তু আপনার সাইটটি যদি brand new হয় তাহলে অবশ্যই আপনার non-competitive keyword বাছাই করা উচিৎ। সেই টার্গেট পূরণ করে fairly comopetitive keyword গুলো টার্গেট করতে পারেন।

আপনি যদি সঠিকভাবে keyword research করে সঠিক keyword টি বাছাই করতে পারেন এবং সেই keyword যদি সঠিকভাবে optimize করতে পারেন, তাহলে ধীরে ধীরে আপনি এর রেজাল্ট দেখতে পারবেন।

আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তী পোস্ট পড়ার জন্য আমন্ত্রন থাকলো।

 

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s