মহাকাশে রয়েছে কিছু অবিশ্বাস্য জিনিস

মহাকাশে রয়েছে কিছু অবিশ্বাস্য জিনিস

মহাকাশ নিয়ে রোজ কতরকম গবেষণাই তো হয়, কত-শত চিন্তা-ভাবনা প্রতিদিন খেলা করে যায় আমাদের মাথায় পৃথিবীর বাইরের এই অসীম স্থানটিকে নিয়ে। কিন্তু মহাকাশ সম্পর্কে অনেক কিছু জানলেও আপনি কি জানেন যে মহাকাশে ঠিক কী কী দেখা যায়? ভাবছেন, মহাকাশ যখন তখন ধুলিকণা, গ্রহ, উপগ্রহ, ছায়াপথ, কৃত্রিম উপগ্রহ আর যন্ত্রপাতির মতন সাধারণ আর প্রত্যাশিত কিছু বিষয় ছাড়া কি-ইবা এমন দেখতে পাওয়া যেতে পারে মহাকাশে? এসব নিত্য-নৈমত্তিক বিষয় ছাড়াও বাস্তবে মহাকাশে পাওয়া গিয়েছে অ্যালকোহলের মতন সামান্য জিনিসও! আর কি কি পেয়েছে মানুষ সেখানে? চলুন দেখে নিই।

১. মূত্র

আপনার মনে হতেই পারে যে একজন নভোচারী কী করে আর কেনইবা মহাকাশে মূত্রত্যাগ করতে যাবেন? এ প্রশ্নটি নভোচারীদের ভেতরেও রয়েছে। তবে মহাকাশে তারপরেও মূত্র থাকবার বেশকিছু কারণ ধরে নেওয়া যায়। সেগুলো হচ্ছে- প্রথমত; টয়লেটের বিস্ফোরন। বলা হয় মহাকাশে অবস্থানকালীন সময়ে বাইরে থেকে আসা ও অভ্যন্তরীন চাপের কারণে এমনটা হয়েছিল। একটি টয়লেট বিস্ফোরিত হয়ে গিয়েছিল সেসময়। আবার অ্যাপোলো ১৭ এর কমান্ডার ইগুয়েন কার্নেনের কথানুসারে বলতে গেলে বুঝতে হয় যে আসলেই নভোচারীরা মহাকাশে মূত্রত্যাগ করেছেন। ইগুয়েন বলেন তার অভিজ্ঞতাগুলোর ভেতরে অন্যতম বিষ্ময়কর অভিজ্ঞতা ছিল মহাকাশে মূত্রকে বরফে পরিণত হতে দেখা( লিস্টভার্স )!

২. অ্যালকোহল

শুনতে অদ্ভূত মনে হলেও সত্যি যে, মহাশূন্যে এমন একটি স্তর পাওয়া গিয়েছে যেটা কিনা অ্যালকোহলে পরিপূর্ণ। ছায়াপথের আশেপাশেই রয়েছে এই অ্যালকোহলের মেঘমালা। তবে এখানে কেবল ইথানলই নয়, পাওয়া গিয়েছে মিথাইল ও ভিনিল অ্যালকোহলও। যদিও এটা আমাদের থেকে বেশ খানিকটা দূরে অবস্থিত, তবুও এই অ্যালকোহলকে নিয়ে মানুষের, বিশেষ করে বিজ্ঞানীদের উত্তেজনার কোন কমতি নেই। তবে সেটা অন্য কোন কারণে নয়, বরং এতদিন ধরে মানুষের বহু আকাঙ্ক্ষিত জিনিস, মহাকাশে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনার কারণে। অ্যালকোহল যেহেতু অর্গানিক সেহেতু এটি মহাশূন্যে থাকা মানেই এর আশেপাশে প্রাণের অস্তিত্বকেও জানান দেওয়া ( ডেইলি মেইল )।

৩. শিল্প জাদুঘর

মহাশূন্যের অসীমতার মাঝখানে হঠাৎ করে যদি কোন জাদুঘর, তাও আবার চিত্রকর্মের জাদুঘরের দেখা পেয়ে যান আপনি তাহলে কেমন লাগবে? নিশ্চয়ই অবাক হয়ে যাবেন আপনি এমন কোন জিনিসকে ওরকম একটা স্থানে দেখতে পেয়ে। কিন্তু ব্যাপারটাকে অনেকটা সত্যি করে দিতেই ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো লুনার রেন্ডারের সাথে সাথে একটি ছোটখাটো শিল্প জাদুঘরকেও মহাকাশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। কেন? কারণ তখন নতুন নতুন কিছু ব্যাপার করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন তারা। এছাড়াও নিজেদের চিত্রকর্মের একটা চিহ্ন চাঁদে রেখে আসতে চেয়েছিলেন তারা। যদিও ব্যাপারটা হয়েছিল অনেকটা রাখঢাক করে, এখনো অব্দি তখনকার সমস্ত রেকর্ড ঘেঁটে বোঝা যায় যে জাদুঘরটি এখনো মহাকাশেই রয়েছে। তথ্যঃ বিডি খবর

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s