Keyword কী ও Keyword এর গুরুত্ব। Keyword নির্বাচনের জন্য কিছু টুলস ও টিপস।

Keyword কী ও এর গুরুত্ব

সাধারন কথায় keyword হল ওই সকল শব্দ যা লিখে কেউ গুগল এ সার্চ দেয়। যেমন আপনার health বিষয়ে সাহায্য দরকার তখন আপনি গুগল এ গিয়ে health tips লিখে সার্চ দিলেন, এখানে এই health tips শব্দ দুইটিই হল কীওয়ার্ড।

তার মানে আপনি যদি আপনার সাইট কে গুগল এ রেংকে আনতে চান তাহলে আগে আপনাকে আপনার ওয়েব সাইটের জন্য নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড নির্বাচন বা বাছাই করতে হবে। এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

keyword research কেন করবেন?

১. ব্যক্তি যখন  kewword ব্যবহার করে তাদের প্রয়োজনীয় সমাধান খোজে
২. SE (search Engine) চাই সব সময় best result দেখাতে
৩. আপনার জানা উচিৎ কোন  keyword বেশি খোজা হচ্ছে
৪. সব থেকে প্রধান কারণ হল, keyword research tools আপনাকে সহযোগীতা করে এটা জানার জন্য যে, ওয়েবে কি খোজা হচ্ছে এবং কি খোজা হচ্ছে না

keyword research এর জন্য অনেক ধরনের tools অনলাইনে রয়েছে। তার মধ্যে Google Adwords, wordtracker, keyword discovery etc অন্যতম।

Google ad words ব্যবহার করে অধিকাংশ মানুষ – এটা অনেক দ্রুত ও ফ্রিতে ব্যবহার করা যায়।

keyword নির্বাচন করার জন্য কিছু টুলস ও টিপস!

আপনি যে কোন সাইট তৈরি করার আগে আপনাকে অবশ্যই ঠিক করতে হবে যে, আপনি কোন বিষয়ের উপর আপনার সাইট তৈরি করতে চান। প্রত্যেকটি ওয়েবসাইট এই উদ্দ্যেশ্যই তৈরি হয় যেন গুগল থেকে প্রতিদিন প্রচুর ভিজিটর আনতে পারে। আর এই জন্য আপনার সাইটের keyword নির্বাচন অতিব গুরুত্বপূর্ণ। এখন মূল বিষয় হচ্ছে আপনি আপনার সাইটের জন্য কোন keyword নির্বাচন করতে চান? প্রথমে আপনাকে এমন একটি বিষয় খুজে বের করতে হবে যেটা নিয়ে প্রতিদিন গুগল এ প্রচুর সার্চ দেয়া হয় কিন্তু এই সম্পর্কিত সাইটের সংখ্যা অনেক কম। ফলে সহজেই আপনি আপনার সাইটটিকে গুগল এর প্রথম পেইজে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই কাজটি করার জন্য আপনাকে একটি চমৎকার টুলবারের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। এটির নাম হল google adword tool bar. এই টুলের সাহায্যে আপনি যে কোন একটি বিষয় এর নাম লিখলেই গুগল আপনাকে দেখাবে ওই বিষয়টি প্রতি মাসে কতবার গুগলে সার্চ দেয়া হয়, এই সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের সংখ্যা কোন ধরনের, আপনাকে এদের সাথে টেক্কা দিতে কতটা পরিশ্রম করতে হবে ইত্যাদি। টুল বারটিতে ঢুকতে প্রথমে Keyword Planner লিখে google এ সার্চ দিতে হবে, ফলে প্রথমে যে result টি দেখতে পাবেন সেটিতে ক্লিক করুন। তারপর আপনার গুগল id দিয়ে লগইন করুন, তারপর box এ একটি বিষয় লিখুন, তারপর একটি captcha entry করুন, প্রথমবার শুধুমাত্র captcha দিতে হয় পরে আর নাও লাগতে পারে। এবার enter দিন। এবার দেখুন যাদু। এবার আপনার মন মত keyword খুজে বের করতে পারেন।

Keyword Research এর নিয়ম:

সঠিক কি-ওয়ার্ড নির্বাচন একটি ওয়েবসাইটের এসইও এর জন্য প্রধান অংশ । সঠিক কিওয়ার্ড এর উপর আপনার সাইটের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে। তাই কিওয়ার্ড নির্বাচনের জন্য শুধু মাত্র একটি ওয়েবসাইটের উপর নির্ভর করা উচিত নয়।আসলে এটার কোন নির্দ্দিষ্ট নিয়ম নেই, বাজারে অনেক paid tool রয়েছে, যা দিয়ে খুব সহজ ভাবে সঠিক keyword research করা যায়। কিন্তু আমরা paid tools ব্যবহার করব না, তাই আমাদের keyword research এর basic procedure জানা উচিৎ।

Wordstream
ওয়ার্ডস্ট্রিম তার সমৃদ্ধ ডাটাবেজ ঘেকে আপনাকে অংসখ্য কিওয়ার্ড আইডিয়া শেয়ার করবে । প্রচলিত অনেক পেইড টুলস থেকে ওয়ার্ডস্ট্রিম অসাধারণ কিছু সার্ভিস প্রোভাইড করবে। এসইও এর জন্য নি:সন্দেহে একটি অসাধারন টুল এটি।

Untitled

Keyword Eye Basic

Keyword Eye Basic ও একটি কিওয়ার্ড সাজেশন টুল। যা আপনাকে সঠিক কিওয়ার্ড খুজে পেতে সহায়তা করবে যা আপনার সাইটের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেন বা এসইও এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখবে ।

123

Übersuggest

সাজেশন টুলস গুগল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জনি থেকে তথ্য প্রদান করে। লং টেইল কিওয়ার্ড খুজে পাওয়ার জন্য এই টুলসটি ব্যবহার করতে পারেন।

34

Keyword Research এর সময় ৭টা বিষয় বিবেচনা করা উচিৎ:

. Brainstorming (কোন বিষয়ে চিন্তা করা

আমার Target Market কে বা কোথায় এবং ঐ বিষয়ের উপর keyword নিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন এবং আমি কি স্থানীয়ভাবে না দেশের মধ্যে, নাকি সারা বিশ্বের সাথে প্রতিযোগীতা করতে চাচ্ছি। আমার Target Market এর উপর কি লিঙ্গ, বয়স ঐ দেশের Income এর কোন যোগসূত্র আছে, যদি থাকে তাহলে কিভাবে আমার desired keyword এর উপর প্রভাব ফেলবে। যেমন: আপনার যদি একটি Furniture এর শোরুম থাকে শুধুমাত্র একটি জেলাতে, তাহলে আপনার keyword হতে পারে Khulna Furniture এই ধরনের আবার আপনার যদি Otobi এর মত একটি প্রতিষ্ঠান থাকে তাহলে আপনাকে বাংলাদেশে ব্যাপী চিন্তা করতে হবে।

সঠিক keyword selection এর জন্য আপনি আরো যে কাজ করতে পারেন, তা হল আপনি আপনার target customer, sales people, friend and relatives দের জিজ্ঞাসা করতে পারেন তারা ঐ বিষয়ে search করতে হলে কোন wordটা বাছাই করত। এমনও হতে পারে, আপনি যে technical terms চিন্তা করছেন, তাদের সাথে তা নাও মিলতে পারে। আপনি আপনার বিষয় সম্পর্কিত বিভিন্ন Online forum/blogs visit করতে পারেন। আপনি আপনার Competitors এর ওয়েবসাইট visit করে সেখান থেকে ধারনা নিতে সে কি করছে, কোন ধরনের keyword ব্যবহার করছে ইত্যাদি। তারপর আপনার idea গুলো একটা কাগজে লিখে রাখুন।

. keyword গুলোকে বিভিন্ন বিষয়ানুযায়ী ভাগ করা

আপনার product অথবা service অনুযায়ী একের অধিক keyword set তৈরি করুন। অনেক সময় এই step টা সঠিক ভাবে করা সম্ভব নাও হতে পারে, কারন আপনি যতক্ষণ না keyword research করছেন, ততক্ষণ আপনি জানতে পারবেন না, অন্যরা কোন ধরনের search term ব্যবহার করছে। তাই অনেক সময় এই ধাপটা research এর আগেও করা হয়। যখন যেভাবে সুবিধা হয়।

. research করা

keyword research করার জন্য আপনি keyword research tools ব্যবহার করতে পারেন। যে কোন ক্যাটাগরি একটা seed phrase পছন্দ করুন ।
অথবা যদি আপনার একটি ওয়েবসাইট থেকে থাকে, তাহলে আপনি সরাসরি google keyword research tool এ আপনার desired url টি প্রবেশ করান।

. compile বা সংকলন করা

এখন keyword research tools থেকে Export spreadsheet করুন।
যদি প্রয়োজন মনে করেন তাহলে keyword গুলোকে Re-categorize করতে পারেন

. remove বা অপসারণ করা

spreadsheet খোলা থাকা অবস্থায় কোন non-relevant phrases বাদ দিতে পারেন।
যেসব keyword এর search count low সেগুলো বাদ দিন। এক্ষেত্রে অবশ্যই সর্তকতা অবলম্বন করুন। দরকার হলে আপনার ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞাসা করুন।

. Determine Competitiveness

এখানে আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আপনি কি অনেক বেশী প্রতিযোগীতা চান নাকি অল্প। প্রতিটা Phrase এর একটি আলাদা আলাদা competitiveness আছে। এখন আপনি যদি সবাই যে phrase এর পিছনে দৌড়াচ্ছে, আপনিও তার পিছনে গেলে আপনার জন্য target achieve করা কঠিন হয়ে যাবে। তাই এমন keyword ঠিক করতে হবে যা থেকে প্রয়োজনীয় ভিজিটর পাওয়া যাবে, আবার প্রতিযোগীতাও কম থাকবে।

Competitiveness অনুযায়ী phrase গুলোকে ৩ভাগে ভাগ করা যায়:

  • highly competitive
  • fairly competitive
  • non-competitive

. সঠিক keyword select করুন

এই ধাপগুলো শেষ হয়ে গেলে আপনি খুব সহজেই আপনার keyword গুলো পছন্দ করতে পারবেন। keyword select করার সময় নিচের বিষয়গুলোর উপর লক্ষ্য রাখুন:

  • number of searches
  • relevancy to your web site (ওয়েব সাইটের সাথে প্রাসঙ্গিক কিনা)
  • competitiveness level

 

এখানে আরো কিছু বিষয় বিবেচনা করতে হয় যেমন, আপনার সাইট যদি নতুন হয় তাহলে একধরনের strategy আবার সাইট যদি পুরানো হয় তাহলে আর একধরনের strategy follow করতে হবে। এজন্য আপনারা নিচের graph টা দেখতে পারেন।

সাধারনত এটা মনে করা হয় যে, allintitle 1000 এর নিচে থাকলে Non-competitive, 1000-3000 পর্যন্ত fairly competitive, 3000-5000 পর্যন্ত competitive and তার উপরে highly competetive.
কাজেই আপনার সাইট যদি অনেক জনপ্রিয় ও aged হয় তাহলে আপনি র্নিদ্বিধায় competitive বা highly competitive কিওয়ার্ড বাছাই করতে পারেন, কিন্তু আপনার সাইটটি যদি brand new হয় তাহলে অবশ্যই আপনার non-competitive keyword বাছাই করা উচিৎ। সেই টার্গেট পূরণ করে fairly comopetitive keyword গুলো টার্গেট করতে পারেন।

আপনি যদি সঠিকভাবে keyword research করে সঠিক keyword টি বাছাই করতে পারেন এবং সেই keyword যদি সঠিকভাবে optimize করতে পারেন, তাহলে ধীরে ধীরে আপনি এর রেজাল্ট দেখতে পারবেন।

আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তী পোস্ট পড়ার জন্য আমন্ত্রন থাকলো।

 

 

এসইও কি? এসইও করে কি অনলাইনে আয় করা যায়?

পরম করুণাময় ও আসীম দয়ালু আল্লাহ্‌ এর নামে ।

SEO ব্লগে আপনাদের স্বাগতম।

এসইও কি?

SEO মানে ‍Search Engine Optimization। বর্তমান বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ তার প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পেতে গুগলে সার্চ করে। গুগল তখন তার সার্চ রেজাল্ট পেজে অনেকগুলো সাইটের ফলাফল প্রদর্শন করে। কোনটি প্রথমে কোন ওয়েবসাইটের নাম হয়ত প্রদর্শন করে ২নং পেজে। যেটি প্রথমে দেখা যাচ্ছে সেটি প্রথমে দেখাচ্ছে কারন সেটিকে এসইও করা হয়েছে। কোন ওয়েবসাইটকে সার্চের প্রথমে প্রদর্শন করার জন্য যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়, সেটিকে এসইও বলে। যখন আপনার ওয়েবসাইট সার্চের প্রথমে থাকবে তখন ওয়েবসাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি পায়। আর ভিজিটর বৃদ্ধি হলে ইনকামও বৃদ্ধি পায়। ধরুন আপনি সার্চ ইঞ্জিন বক্সে health tips লিখে সার্চ দিলে যে পেইজটি ওপেন হবে এবং সর্বপ্রথম যে সাইটটি দেখা যায় এবং গুগলে পেইজে সর্বপ্রথম রেংকে আনার জন্য যে কার্যক্রম গুলো করা হয় সেটিই হল এস.ই.ও।

What is SEO

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) কি এবং কেন ?

আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় যে কোন বিষয়ের তথ্য জানতে হলে ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে থাকি। তখন সারা বিশ্বের যত ওয়েব সাইটে এ ব্যপারে যে তথ্য আছে, সব আমাদের সামনে চলে আসে। এ বিষয়গুলো জানার এসব উৎসকে সার্চ ইঞ্জিন (search engine ) বলে। বিখ্যাত কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হলোঃ গুগল (google), ইয়াহু (yahoo),বিং( bing) ইত্যাদি ।

এই সব সাইটে আপনি একটি শব্দ সার্চ বক্সে লিখে সার্চ বাটনে ক্লিক করলে , কয়েক সেকেন্ড এর মধ্য অনেক ওয়েব সাইটের লিংক আমাদের  সামনে চলে আসে, যেসব লিংকে গেলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায় ।

Search কিভাবে কাজ করে ?

Search Engine প্রধানত দুইটা component হিসেবে কাজ করে:

  • Crawler: এটা প্রধানত বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে Information Collect করে (spider, robot/bot এর মাধ্যমে) এখানে Search Engine or SE প্রধানত যেকোন link কে follow করে তারপর তথ্য সংগ্রহ করে এবং তাদের ডাটাবেস এ সেই তথ্য সংরক্ষণ করে।
  • Algorithm: এখানে search engine প্রাপ্ত information গুলো বিশ্লেষণ করে, বিভিন্ন page এর কন্টেন্ট এর relevancy ও quality অনুযায়ী ranking প্রদান করে। SE এর Algorithm অনেক factor এর উপর নির্ভর করে।

Google এ search engine যে কোন keyword লিখে search করলে কয়েক মিলি সেকেন্ডে হাজারো সাইট লিংক আমাদের সামনে প্রদর্শন করে।

Google এ ২ ধরনের search result ব্যবহৃত হয়।

  • Organic: organic search result নিয়ে আলোচনা করা হল। কারন এটা Free
  • Paid: Paid search result এ টাকা খরচ করেতে হয়, আর টাকা খরচ করলেই Ad দেওয়া যায়।

আপনি যখন গুগল এ কোন কিছু লিখে সার্চ করেন তখন দেখবেন অবশ্যই সার্চ রেজাল্ট বা নিচে বিভিন্ন সাইট দেখতে পান। যেমন ধরুন আমরা body building লিখে সার্চ দেন তাহলে গুগল এ প্রথম সাইট হবে bodybuilding.com  সাইট টি। কিভাবে এই সাইট টি গুগল এর প্রথম পেইজ আসল। আর এটি হচ্চে SEO। এটি সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র SEO (Search Engine Optimization) এর যথাযথ প্রয়োগের ফলে। এই কাজটি একটু বুঝলে খুবই সহজ। এর অনেক টেকনিক বা কৌশল অবলম্বন করা হয়। যার কারনে একটি ওয়েব সাইটকে গুগলে প্রথম পেইজে আনা যায়। তো নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন যে, SEO করা হয় website এর। মানে SEO এর কাজ করতে হলে আপনার একটা ওয়েবসাইট প্রয়োজন, সেটা আপনার ওয়েব সাইট হোক না আপনার ক্লায়েন্টের হোক। ক্লায়েন্টের ওয়েব সাইট তো এখন আপনি কোথায় পাবেন কারন আপনি এখনও আমরা SEO জানি না তার মানে আমাদেরকে আগে এসইও শিখতে হবে।

SEO এর প্রকারভেদঃ

SEO মূলত দুইটি ভাগে বিভক্ত। যথাঃ

  • On page optimization
  • Off page optimization

Onpage

তবে Onpage Optimization এবং Off page optimization শুরু করার আগে আপনার সাইটের জন্য আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে। যেমন- আপনার সাইটের জন্য আপনাকে সঠিক কি ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে। তারপর ওই কি ওয়ার্ড দিয়ে আপনার সাইটে পোস্ট করতে হবে। তারপর যখন আপনার ওয়েবসাইটে কমপক্ষে ২০-২৫টি মানসম্মত কন্টেন্ট থাকবে হবে তখন আপনি আপনার সাইটের SEO করার কথা চিন্তা করবেন।

On page seo: সহজভাবে বলা যায়,  আপনার ওয়েবসাইট সর্ম্পকে যা আপনি বলছেন।

Off page seo হল অন্যরা আপনার সর্ম্পকে যা বলতে চাচ্ছে।

SEO এর ব্যবহার:

ধরা যাক আপনার একটি Body Building বিষয়ক সাইট আছে যা বর্তমানে #১০ এ অবস্থান করছে। আপনি চান কেউ যদি search engine-এ Body fitness লিখে search করে তাহলে এটি ১ অবস্থানে দেখাবে-এটা করতে হলে আপনাকে ঐ ওয়েবসাইট এর seo করতে হবে। search engine যথেষ্ট smart এবং se আপনার company name ও keyword কে খুব সহজেই আলাদা করতে পারে। যে keyword এর জন্য যত বেশি প্রতিযোগীতা, সেই keyword এর rank করা তত কঠিন।

এই জন্য seo শুরু করার পূর্বে কিছু planning করে নেয়া দরকার। কারন, আপনি একটি নতুন সাইট খুলবেন, যে বিষয়ে আগে থেকে লাখ লাখ প্রতিযোগী আছে, আর অন্য একজন একটা সাইট তৈরী করল যে বিষয়ে হয়ত ১০০০টা ওয়েবসাইট আছে, এখন আপনি বলুন, কোথায় প্রতিযোগীতা করা সহজ হবে লাখের মধ্যে না হাজার এর মধ্যে?

এই কারণে সাইট এর সঠিক seo পরিকল্পনা এর জন্য সঠিক keyword নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। keyword selection সঠিক না হলে আপনি আপনার কাঙ্খিত রেজাল্ট নাও পেতে পারেন। কারণ কোন মানুষ যখন Search engine এ কোন কিছু খোজে তখন এই search term গুলো ব্যবহার করে। কাজেই যদি না জানেন যে মানুষ কি খুজছেতে, তাহলে আপনি কিভাবে তাদের প্রয়োজন পূরণ করবেন।

SEO কোথায় শিখব?

তবে আপনি অনলাইন থেকে সার্চ করে গাইড ব্যবহার করে ‍ SEO শিখতে পারেন নতুবা আপনি BeaconIT চট্টগ্রাম www.beaconIT.org  বা ঢাকায় জেনেসিস আইটি. http://genesisblogs.com/ এই প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। খুব ভাল সাহায্যকারী প্রতিষ্ঠান। ঠিকানা এই এড্রেস থেকে নিতে পারেন। আরেকটি উপায় আছে সেটি হচ্ছে আপনি যদি ফ্রীল্যান্সিং এর জন্য SEO শিখতে চান এক্ষেত্রে আপনার নিজের কোন ওয়েবসাইট এর দরকার নেই। তবে অনলাইনে কাজ করার জন্য আপনি blogger.com থেকে একটি ফ্রী ব্লগ খুলে তা নিয়ে কাজ করতে পারেন।

SEO কেন করবেন?

SEO – search engine optimization. seo হল কিছু নিয়মনীতি/টেকনিক যার মাধ্যমে কোন একটা ওয়েবসাইট বিভিন্ন ধরনের সার্চ ইঞ্জিন (google, bing, yahoo etc) থেকে বেশি পরিমাণে ভিজিটর বা ট্র্যাফিক পাওয়া যায়। আসলে, seo এর মাধ্যমে যে কোন ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিন এর প্রথম পাতায় যদি আনতে পারলে, ভিজিটর পাওয়ার সম্ভাবনাও অনেকাংশে বেড়ে যায়।

SEO সম্পর্কে আমাদের এখন ধারণা নিশ্চয় হয়েছে। কিন্তু SEO শিখে আয় করা যায় এই ধারণাটাও নিশ্চয় অনেকের আছে। SEO শিখে কিছু মার্কেটপ্লেস থেকে আপনি ভাল আয় করতে পারবেন। মার্কেটপ্লেস নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

তাই SEO নিয়ে আমার এই ব্লগ গুলো পড়ে SEO সম্পর্কে ভালভাবে ধারনা তৈরি করুন। তারপর কাজে নেমে পড়ুন।

আরো সহজ ভাবে বলা যায়, আমরা যদি একটি গান ডাউনলোড করতে চাই, তাহলে আমরা সাধারণত যে কাজটি করি তা হল google এ আমরা ঐ গানের লাইনটি লিখে search করি। লক্ষ্য করুন, আমরা search করার পর google কিছু website এর নাম দেখায় যেখানে আমরা ঐ গানটি পেতে সম্ভাবনা থাকে। এভাবে google প্রতি page-এ ১০টি ওয়েরসাইট এর নাম দেখায়। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে কেন কিছু সাইট প্রথম পেজে আসলো, আর কেনবা বাকি ওয়েবসাইট গুলো পেছনের পেইজে গেলো – google কি ইচ্ছা মত করছে নাকি এর পেছনে অন্য কোন কারণ আছে? নিশ্চয় প্রথম পেজের সাইটগুলোর মধ্যে বিশেষ কিছু আছে, যা অন্য সাইটগুলোতে নাই।

SEO তে যারা নতুন তারা Google Webmaster গাইড লাইন দেখতে পারেন। আপনি যদি বেসিক rules follow করেন তাহলে আপনাকে seo নিয়ে বেশি চিন্তা করতে হবে না। আমরা একটা ওয়েবসাইট তৈরী করি ভিজিটরের জন্য, কাজেই আপনি যদি তারা যা জানতে চায়, তা যদি তাদের কাছে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করা যায়, তাহলেই আপনার ৫০-৬০% seo হয়ে গেলো।

একজন ভিজিটর search করে কেন?

তারা হয়ত কোন প্রশ্নের উত্তর খুজছে, বা তারা কোন সমস্যার সমাধান খুজছে অথবা তারা তাদের প্রয়োজনের সমাধান চায়। যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের প্রশ্নের উত্তর, সমস্যার সমাধান বা তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য তাদের দিতে পারেন তাহলে আপনার আর কোন চিন্তা নেই। এই বিশেষ কিছুই হল seo এর কৌশল, যার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইট টিকে প্রথম পেজে আনতে পারেন। আর প্রথম পেজ মানেই বেশি বেশি ভিজিটর।

SEO – (Search Engine Optimization) এই শব্দটা সাধারন মানুষের অজানা হলেও যারা অনলাইন বা আইটির সাথে সম্পৃক্ত তাদের কাছে খুবই পরিচিত। তাই আমি নিজের skill developed করার জন্য এসইও ব্লগ লেখছি কিন্তু কাউকে এসইও শেখাবার জন্য নয়। যদি কেউ ব্লগ পরে উপকৃত হন তাহলে ভাল লাগবে। আর যদি ব্লগে কোন জায়গায় ভুল হয়, তাহলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন এবং নতুন হিসেবে সাহায্যের হাত বাডিয়ে দিবেন।

পোষ্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

 

 

 

বগ্লিং কি? বগ্লিং করে নিজেকে সেরা করে তুলুন

ব্লগিং এর ইতিহাসঃ

ইন্টারনেট জগতে “ব্লগ” এর বয়স ১৫ পার হয়েছে। Blog শব্দটির আবির্ভাব Weblog থেকে। Weblog শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় দশ বছর আগে ১৯৯৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর। শব্দটির স্রষ্ট্রা মার্কিন নাগরিক জন বার্জার। এর ঠিক দু’বছর পর ১৯৯৯ সালের এপ্রিল এবং মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে পিটার মহলজ নামে এক ব্যাক্তি Weblog শব্দটিকে ভেঙ্গে দুই ভাগ করেন- Web এবং  Blog এর পরই সারা বিশ্বব্যাপী Blog বা ব্লগ জনপ্রিয় হতে শুরু করে।

What is Blog

ব্লগ কি?:

ব্লগ শব্দটি ইংরেজ Blog এর বাংলা প্রতিশব্দ, যার শব্দের অর্থ অনেকটা  ব্যক্তিগত অনলাইন দিনলিপি বা ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগের একটি মাধ্যম। ব্লগাররা প্রতিনিয়ত তাদের ওয়েবসাইটে কনটেন্ট পোষ্ট করেন আর ব্যবহারকারীরা সেখান থেকে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য নেন এবং সেখানে তাদের মন্তব্য প্রকাশ করতে পারে। এছাড়াও সাম্প্রতিক কালে ব্লগ ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতা ও অনলাইন আয়ের একটা মাধ্যম হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক ঘটনা সমূহ নিয়ে এক বা একাধিক ব্লগাররা এটি নিয়মিত আপডেট করেন। এখন ব্যক্তিগত ডায়রীর পরিবর্তে ব্লগ একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। অনেকে ব্লগ এবং ওয়েবসাইট এর পার্থক্য বোঝেন না।  ওয়েব সাইট থেকে ব্লগের মূল পার্থক্য হল ওয়েব সাইট আপডেট করা হয় অনিয়মিত ভাবে অপরদিকে ব্লগ আপডেট করা হয় নিয়মিত ভাবে। এমনকি কিছু কিছু ব্লগ প্রতি মিনিটে আপডেট করা হয়।

কোন একটি নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটে কোন বিষয়কে পাঠকদের মতামত প্রদানের জন্য তুলে ধরাকে ব্লগিং বলা হয়।  ব্লগিং বিষয়টা যদি সংক্ষেপে বলি তাহলে বলব বিভিন্ন ব্লগে বা ওয়েভ সাইটে যা লেখা লেখি হয় তাই হল ব্লগিং ।  ব্লগিং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হতে পারে, যেমন রাজনীতি, সাহিত্য, টেকনোলজি, ভ্রমণ কাহিনী, আপনার জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখা একটি ডায়েরির মত সব কিছু গুছিয়ে রাখা, এবং তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞান সম্বন্ধে লিখা ইত্যাদি।What is Blog

ব্লগিংকেন করবেন?

ব্লগ বা ব্লগিং শব্দটি শুনে নাই এমন  লোকের সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে অনেক কম বলে আমি বিশ্বাস করি। উন্নত দেশ গুলোতে ব্লগিং খুব জনপ্রিয় একটা পেশা। ব্লগিং নিয়ে লেখাপড়া করে এবং ইনকাম করে। প্রায় সব শ্রেণীর পেশার মানুষ উন্নত দেশগুলোতে ব্লগিং এর সাথে জড়িত। আবার কেউ প্রধান ইনকাম সোর্স হিসেবে জীবন যাপন করে। তবে এই ব্লগিং নিয়ে বাংলাদেশে কিছু বিরূপ প্রতিক্রিয়া আছে। অনেকে আবার ব্লগ বা ব্লগিং সম্পর্কে তেমন কিছু জানেও না। আমি চেষ্টা করবো সবার জন্য ব্লগিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার।

ব্লগার কে বা কারা ?:

যারা ব্লগিং করে বা যারা ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েভ সাইটগুলোতে লেখালেখি করে এবং এই ব্লগ গুলো যারা বানায় তারাই হচ্ছে ব্লগার অর্থাৎ আমি একটু পরিস্কার করি,  যিনি ব্লগ তৈরী করে  ব্লগে পোস্ট করেন বা  বিভিন্ন লেখা লিখি করেন তাদেরকেই বলা হয় ব্লগার।

ব্লগিং এর প্রকারভেদ :

ব্লগ বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে নিচে কয়েকটি ব্লগ প্রকারভেদ আমি আপনাদের কাছে তুলে ধরলাম-

  • ব্যক্তিগত ব্লগ : নিজের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে লেখালেখি অথবা নিজের জ্ঞানকে অন্যের কাছে তুলে ধরার জন্য যে ব্লগ তৈরী করা হয় তাই ব্যাক্তিগত ব্লগ ।
  • নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ব্লগ: এই ধরনের ব্লগ সাধারণ বেশি দেখা যায় যেমন টেকিব্লগ, ফটো ব্লগ, আর্ট ব্লগ, ভিডি ও অডিও গানের ব্লগ, বিনোদন মূলক ব্লগ (মুভি এবং নাটক ব্লগ গুলো হয়) (এই ব্লগিং এর মাধ্যমে সাধারণত মানুষ ইনকাম করে।)
  • কোম্পানী বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগ: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিজেদের যাবতীয় তথ্য নিয়ে গঠিত ব্লগ হল কোম্পানী বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগ ।
  • সামাজিক ব্লগ: সমাজের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মানুষের আচার আচরণ চলাফেরা সামাজের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে তৈরী ব্লগ গুলো হল সামাজিক ব্লগ ।

What is Blog

ব্লগিং করার কারণ:

আপনি যদি গুগলের সার্চ বক্সে কোন কিছু লিখে খুজেন তাহলে ঐ বিষয়ের উপর লেখা অনেকগুলো সাইট বা ব্লগ পাবেন যা পরে আপনি উপকৃত হবেন বা অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারবেন। এমন ভাবেই ধরুন আপনি কোন বিষয়ে ভাল জানেন আবার তা অন্য মানুষ জানলে তাদের উপকার হবে তাই আপনি ব্লগিং দ্বারা পৃথিবীর মানুষদের জানাতে পারেন আপনার সেই বিষয় সম্পর্কে। এতে করে তারা উপকৃত হবে। আবার অনেক ব্লগার আছে তারা শুধু তাদের শখের বিষয় নিয়ে ব্লগিং করে থাকে। তাদের নিজেদের জীবন কাহিনি অন্যের সাথে শেয়ার করে মজা পায়। যেমন আমি ব্লগিং করতেছি যারা ব্লগিং-এ নতুন তারা এই ব্লগ থেকে কিছু জানার জন্য। তাই আপনিও শখের বশেই হোক বা অন্যদের কোন কিছু জানানোর জন্য বা শিখানোর জন্য ব্লগিং করতে পারেন।

অনেক ব্লগার আছে যারা সামাজিক সম্মানের জন্য বা যোগাযোগের জন্য ব্লগিং করে থাকে। তবে বর্তমানে গুগল আডসেন্সের কারণে ৮০% ব্লগার তাদের ব্লগ থেকে ইনকামের জন্য তৈরি করে।

বর্তমানে ব্লগিং এর মাধ্যমে অনলাইনে আয় করা সম্ভব, বিশেষ করে গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে ব্লগিং করে বিভিন্ন বিষয়ে আর্টিকেল লিখে ইনকাম করছে কিন্তু এই আয় এর পিছনে তাদের রয়েছে মহান ইচ্ছাশক্তি এবং পরিশ্রম।

ব্লগিং করে কি হবে :  

আপনি যদি বলেন ব্লগিং করে কি হবে? ব্লগিং করলে লাভতো আছেই কিন্তু এখানে আপনাকে আগে ঠিক করতে হবে আপনি বাংলায় ব্লগিং করবেন না ইংরেজীতে। আপনি যদি বাংলায় ব্লগিং করেন তাহলে লাভ আছে কিন্তু একটু কম। এতে আপনি ভাল একজন লেখক হতে পারেন এবং অনলাইন ভিত্তিক সাংবাদিকতায় চান্স পেয়ে যেতে পারেন। এছাড়া ভার্চুয়াল জগতে আপনার নাম হবে যা আপনি পরিচিতি সুনাম বৃদ্ধি পেতে পারে। আবার আপনার ব্লগ যদি নামকার হয়ে উঠে তাহলে বিভিন্ন কোম্পানির ( ক্লিকবিডি, এখনি.কম, আজকেরডিল.কম ইত্যাদি) এডস আপনার ব্লগে দিয়ে প্রতিমাসে মুটামুটি কিছু টাকা আয় করতে পারবেন। এছারাও বিভিন্ন এডস কোম্পানিতো (গুগল এ্যাডসেন্স, ইনফোলিঙ্কস, ক্লিকসোর)  আছেই। আসলে বাংলা ব্লগের মাধ্যমে আয় করা একটু কঠিন।
আর আপনি যদি ইংরেজীতে ব্লগিং করেন তাহলে ভাল লেখক হওয়া থেকে শুরু করে সুনাম এবং আয়ের রয়েছে ব্যাপক সম্ভাবনা। এখানে আপনি বিভিন্ন বিষয়ের উপর ব্লগ লিখে বাহারি পণ্যের বিজ্ঞাপন ( আপনার ব্লগ যদি নামকরা ব্লগ ও সনামধন্য হয়) এবং বিভিন্ন নামকরা অনলাইন এডস কোম্পানির (গুগল এ্যাডসেন্স, ইনফোলিঙ্কস, ক্লিকসোর) পাবলিশের মাধ্যমে প্রচুর টাকা আয় করতে পারেন। এছাড়াও আছে এফিলিয়েশনের মাধ্যমে আয় । তাছাড়া অনলাইনের জনপ্রিয়তার সাথে সাথে মানুষ ব্লগিং এ খুব বেশি ঝুকে পড়ছে।

পরিশেষে, ব্লগিং একটি শক্তিশালী মিডিয়া বা গণমাধ্যম এর সাহায্যে অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। ব্লগিং এর ফলে প্রত্যেক দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক বিভিন্ন ব্যাপারে অভাবনীয় পরিবর্তন আসছে। এর সঠিক প্রয়োগে আমাদের সকলের জন্য সুফল বয়ে আনবে ।

ব্লগিং নিয়ে অনেক কিছু লিখলাম হয়তঃ বা কিছু ভুল ক্রুটি থাকতে পারে সংশোধন এবং ভাল কমেন্ট আবশ্যক।

অনেক কিছু তথ্যের জন্য ভিজিট করুন- এই লিংকে