প্রত্যেক সফল ব্যক্তি যে কাজগুলো করে থাকেন!

চৌকস.jpg

চৌকস শব্দটি কি কেবল বুদ্ধিমত্তা দিয়েই নির্ধারিত হয়? না! বুদ্ধিমত্তা মানুষের ভেতরে ১৫ বছরেও যা থাকে, ৫০ বছরেও প্রায় তাই। আর তাই বুদ্ধিমত্তা ছাড়াও চৌকস হতে হলে লাগে স্থিরবুদ্ধি, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা, ইন্দ্রিয়ের প্রখরতা, চতুরতা, কর্মক্ষম, মানসিক প্রস্তুতিসহ আরো বেশ কিছু গুণাবলি। আর এই গুণাবলিগুলো একসঙ্গে মিলিয়ে চৌকস হতে পারলেই কেবল হতে পারা যায় একজন সফল মানুষ। কিন্তু বাস্তবে প্রত্যেকটি সফল মানুষের ক্ষেত্রেই কি উপস্থিত থাকে এই ব্যাপারগুলো? হয়তো সব সময়েই নয়। কিন্তু এটা ঠিক যে সফল মানুষদের সবার ভেতরেই থাকে কিছু সাধারণ মিল। আপনিও কি মানুষ হিসেবে সাফল্য পেতে চান? তাহলে আসুন জেনে নিন তাদের গুণগুলোকে। Continue reading

বিশ্ব চার মহাপুরুষের কাঁপানো ভাষণ

যুগে যুগে বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের ত্রাণকর্তা হয়ে এসেছিলেন কিছু মানুষ। যারা রাজনৈতিকভাবে পথ দেখিয়েছেন। অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। এই মানুষগুলোর মুখের কথাই পাল্টে দিয়েছে ইতিহাস। এমনি এক গণমানুষের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন, যে ভাষণের হাত ধরে বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম নেয় বাংলাদেশ নামের এক স্বাধীন দেশ। আজ সেই ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। এ দিনকে সামনে রেখে পৃথিবীর সাড়া জাগানো চারটি ভাষণের কিছু অংশ নিয়ে আমাদের আয়োজন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান Continue reading

বিল গেটস ধনীদের তালিকায় আবারও শীর্ষে

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা ও মানবতাবাদী বিল গেটস বিশ্বের ধনীদের তালিকায় আবারও এক নম্বর অবস্থানে রয়েছেন। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৭৫ বিলিয়ন (সাত হাজার ৫০০ কোটি) ডলার।

বিল গেটস

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী ফোর্বস এ তালিকা প্রকাশ করেছে। গত ২১ বছরে ১৭ বারের মতো বিল গেটস শীর্ষ ধনী হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন। যদিও গত ১২ মাসে তিনি ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার সম্পদ খুইয়েছেন।

শীর্ষ ধনীর তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে স্পেনের আমানসিও ওরতেগা (৬৭ বিলিয়ন ডলার), তৃতীয় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ারেন বাফেট, মেক্সিকোর চতুর্থ কার্লোস স্লিম হেলু ও পঞ্চম অ্যামাজনের জেফ বেজোস।

ধনকুবেরদের মধ্যে সবচেয়ে উন্নতি হয়েছে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের, ১৬তম স্থান থেকে তিনি এবার ষষ্ঠ অবস্থানে এসেছেন। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। নিউইয়র্কভিত্তিক ধনকুবেরদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন মাইকেল ব্লুমবার্গ, যাঁর সম্পদমূল্য ৪০ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া রিপাবলিকান দল থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পদমূল্য ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। তিনি তালিকার ১০০ জনের মধ্যে স্থান পাননি।

এ নিয়ে ৩০ বারের মতো ধনীদের তালিকা প্রকাশ করল ফোর্বস। এতে এক হাজার ৮২০ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে। এর আগে ২০১৪ সালে রেকর্ড এক হাজার ৮২৬ জনের নাম ছিল। এবারের (২০১৫) তালিকা থেকে ২২১ জনের নাম ঝরে গেছে। এ ছাড়া নতুন করে যুক্ত হয়েছে ১৯৮ জনের নাম।
সবচেয়ে নবীন ও কনিষ্ঠ ধনকুবের হিসেবে তালিকায় রয়েছে নরওয়ের ১৯ বছর বয়সী তরুণ আলেক্সান্দারা আন্দ্রেসেনের নাম। তথ্যঃ ইন্টারনেট

Facebook এর জনক মার্ক জুকারবার্গ

মার্ক জুকারবার্গকে (Mark Zucker Berg) নিয়ে কিছু তথ্য!

Mark-Zuckerberg-Facebook-top-ten

  • ফেসবুকের প্রকৃত রং নীল এর কারন হল মার্ক জুকারবার্গ বর্ণান্ধ। মার্ক জুকারবার্গ যে রঙটা সবচেয়ে ভালো দেখে সেটা হল নীল।
  • মার্ক জুকারবার্গ এর একটা কুকুর আছে, যার নাম বিস্ট। এবং এই কুকুরের নামে একটা পেজ আছে।
  • মার্ক জুকারবার্গ বন্ধুদের কাছে জুক নামে পরিচিত এবং তার মা তাকে প্রিন্সলী ডাকেন।
  • মার্ক জুকারবার্গ চাইনিজ ভাষা শিখেছিলো ২০১০ সালে যাতে সে তার শ্বশুর বাড়ির লোকদের সাথে কথা বলতে পারে।
  • মার্ক জুকারবার্গকে নিয়ে “দি সোশিয়াল বুক” নামে একটা মুভি হয়েছিলো। মার্ক বলেছিলো যে অই মুভির সাথে তার রিয়েল জীবনের এক মাত্র যে জিনিসটা মিলে তা হল মুভির নায়কের ড্রেস( টি-শার্ট )।
  • মার্ক জুকারবার্গ এর সাথে তার গার্লফ্রেন্ড প্রিসিলা চ্যান এর প্রথম দেখা হয়েছিলো হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির একটা টয়লেটের লাইনে, ২০০৩ সালে।
  • মার্ক জুকারবার্গ, বিয়ের সময় প্রিসিলার হাতের আংটির ডিজাইন করেছিলো।
  • মার্ক জুকারবার্গ এর বিয়েতে যেসব লোকজন এসেছিলো তারা জানতো না যে তারা বিয়েতে এসেছে যতক্ষনপর্যন্ত না বলা হয়েছে। সবাই ভেবেছিলো প্রিসিলার গ্রাজুয়েশান পার্টি এটা।
  • গুগল এর গুগল প্লাসে মার্ক জুকারবার্গ এর সবচেয়ে বেশি ফলোয়ার রয়েছে, যা অন্য কারো নেই।
  • মার্ক জুকারবার্গ এর টুইটার একাউন্টের ইউজার নেম হচ্ছে finkd.
  • ইয়াহু ফেসবুক কিনতে চেয়েছিলো ১ বিলিয়ন ডলারে। মার্ক জুকারবার্গ সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলো।
  • মার্ক জুকারবার্গ গ্রিন ডে, টেয়লর সুইফট, শাকিরার শুনতে পছন্দ করেন।
  • কোন ফেসবুক ইউজার মার্ক জুকারবার্গ এর ফেসবুক প্রোফাইল ব্লক করতেপারবেনা
  • মার্ক জুকারবার্গ পারতপক্ষে স্যুট ( ফর্মাল ড্রেস ) পরেন না।

মার্ক জুকারবার্গ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন Click here Collected from the Internet

ধন্যবাদ।

Unknown More information-আরো অজানা তথ্য জানতে = Click Me

Information Sources + Unknown Data = Answer Click here

 

Steve Jobs Top 5 Secrets

এ্যাপলের সিইও স্টিভ জবসের পাচটি সিক্রেট রহস্য

আমরা “বিজনেস” এবং “সেলিব্রেটি” শব্দ দুটিকে এক সাথে কোন সময়ই দেখি না, কিন্তু স্টিভ জবস ছিলেন দুটি শব্দেরেই অধিকারী। একটি জিনিস লক্ষ্য করবেন, আমরা শুধু এ্যাপল ইংকস এর পন্যটিই বা তার মূল্যই বিবেচনা করি নাই, বরং আমরা স্বয়ং সিইও কে দেখেছি, তার আলাপ আলোচনা শুনেছি। অক্টোবর ৫, ২০১১ সালের মৃত্যুর পর আমরা দেখেছি যে, অসংখ্য ওয়েবসাইট, সেলিব্রেটিস, প্রযুক্তি পন্ডিত এবং এমেরিকার প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত তাকে শ্রদ্ধাঞ্জলী দিয়েছেন। জবসকে নিয়ে আমরা এতো আলোচনা করতে চাই কেন? কোন ব্যক্তিকে তখনই স্টাডি করতে প্রলুব্ধ করে, যখন আসলেই ব্যক্তিটি থাকে আইডিয়াতে পরিপূর্ণ, যখন সে তার নিজস্ব রাজত্ব তৈরি করে নেন। মানুষ তখন তার মিথগুলো বের করার কাজে লিপ্ত থাকেন।

1000509261001_1822941199001_BIO-Biography-31-Innovators-Steve-Jobs-115958-SF

তাছাড়াও, জবস ছিলেন একজন আকর্ষনীয় ব্যক্তি। তিনি ছিলেন কলেজ ছিটকে পড়া ছাত্র যিনি জিতেছিলেন “ন্যাশনাল ম্যাডেল অব টেকনোলজি”। রহস্যময় ব্যক্তি ও আকাংখিত বস হিসেবে তার ব্যাপক সুনাম ছিলো । জবস তার জীবনের বিস্তারিত খুব গোপন রেখেছিলেন এবং তার কোম্পানিও তার গোপনীয়তা রক্ষা করেছে, যা আমাদেরকে আরও প্রলুব্ধ করে। এখন আমরা দেখবো তার জনপ্রিয় পাচটি জনপ্রিয় মিথগুলো:

. স্টিভ জবস তার কর্মচারীদেরকে কোন কারন ছাড়াই ভয় দেখাতেন

জবসের রহস্যময় ভার্সন তাকে দিয়েছে বিভিন্ন গঠন। যে ব্যক্তিটি ছিলেন একজন সেলসম্যানগুরু, সম্পূর্ণ বিকৃত (ডিসটর্টেড) মার্কেটে ক্রেতাদেরকে নতুন পন্যের প্রতি আকৃষ্ট করতেন খুব সহজে- এবং তিনিই একজন অনমনীয় বস, প্রতিযোগী এবং কর্মচারী সবার কাছেই ছিলেন নির্মম ব্যক্তি।

বাস্তবতা আরও জটিল। স্টিভ জবস ছিলেন খুতখুতে এবং খুব ছোট বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারতেন খুব ভালোভাবে। একজন ইঞ্জিনিয়ারের কাছ হয়তো এটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে না ও হতে পারে। কিন্তু যদি তার কাজ জবসকে খুশি করতে না পারতো তিনি সব শো বন্ধ করে দিতেন।

যে ভালো করতো এবং কোন ফলাফল বয়ে আনতে পারতো, তার প্রশংসায় স্তুপ ফেলে দিতেন। কিন্তু যে কর্মচারীটি একদিন এতো প্রশংসিত হয়েছে, ঠিক অন্যদিন তাকে সমালোচনা করতে পিছ পা হতেন না। জবস অনেক সময় তার কর্মচারীদেরকে অযথাই রাগ দেখাতেন এবং তাদের কাজ ভালো হলেও তর্ক করতেন। তার কারন ছিলো কর্মচারীরা তাদের অবস্থানকে ডিফেন্ড বা রক্ষা করতে পারে কিনা।

. জবস কখনো জাপান ফিরে যাবেন না বলে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন

এটি একটি মহান গল্প: ২০১০ সালে কিয়োটো, জাপানে অবকাশ যাপন করেছিলেন। অবকাশ যাপনের পর তিনি এয়ারপোর্টে গেলেন তার প্রাইভেট জেট প্লেন দিয়ে দেশে ফিরবেন। কিন্তু এয়ারপোর্টের নিরাপত্তাকর্মী জানালো তার ব্যক্তিগত বিমানে যাওয়ার অনুমতি নাই। তারা কেন এ কথা বলবে? কারন তিনি নিনজা থ্রোয়িং স্টারস কিনেছিলেন। তারপর তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে আর জাপান আসবেন না। (তথ্যসুত্র)

. প্রতিদিন একই পোষাক পরিধান করতেন

আড্রিয়ান মঙ্ক ছিলেন একজন টিভি ডিটেকটিভ যার পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে অত্যাধিক-বাধ্যতামূলক ব্যাধি কাজ করতো। তার জন্য পোশাকটি ছিলো প্লেইড এর উপর ব্রাউন কালার। কিন্তু এটা ছিলো তার ডিজাইনার কর্তৃক দেয়া কস্টিউম। রিয়েল স্টিভ জবস কোন ওযার্ডরোব ব্যবহার করতেন না এটা আমরা নিশ্চিত (তথ্যসূত্র)। তিনি সবসময় পাবলিক এর সামনে কালো মক টার্টলনেক (mock turtleneck) এবং জিন্স পড়তেন। কেন? তিনি কখনই বলেন নাই।

. নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তার জন্য জবস সবসময় নাম্বার প্লেটের বদলে গাড়িতে বারকোড ব্যবহার করতেন

একদা এক ব্লগার এ্যাপল এর পার্কিং লটে পার্ক করা সিলভার কালারের মার্সিডিজ এর একটি ছবি শেয়ার করেছিলো। গাড়িটির পিছনের দিকে কোন লাইসেন্স প্লেট নাই, এবং ফ্রেমের ভিতরে একটি বারকোড স্টিকার লাগানো ছিলো (তথ্যসূত্র)। ফরচুন ম্যাগাজিন এ বলা হয়, তিনি পার্কিং টিকিট না কিনার উদ্দেশ্যেই লাইসেন্স প্লেটটি খুলে রাখতেন। তাছাড়া, জবস গাড়ীর আরও অন্যান্য নিয়মনীতিও ভঙ্গ করতেন। এ ব্যাপারে ‍গুগলে সার্চ দিলে আরও অনেক আর্টিকেল পাবেন।

. এ্যাপল কর্পোরেশন তাকে কম্পানি চালানোর জন্য এক ডলার পরিশোধ করে

১৯৯৭ সাল থেকে ২০১১ পর্যন্ত যখন তিনি সিইও থেকে নেমে যান, বছরে এক ডলার বেতন হিসেবে পেতেন(তথ্যসূত্র)। প্রকৃতপক্ষে, কখনো কখনো কয়েক বছর মিলিয়ে এক ডলার হতো। তার যা ইনকাম ছিলো তা দিয়ে আইটিউন্স থেকে ট্যাক্স সহ একটি গানও কিনতে পারেন নি। তাহলে কেন সেখানে চাকরী করেছিলেন? কারন, এ্যাপল উচ্চ বেতন এর পরিবর্তে এমপ্লয়ীদেরকে পারফরমেন্স এওয়ার্ড দিতো যা তাদেরকে বহুদিন ধরে এই প্রতিষ্ঠানে চাকরী করার জন্য আকর্ষিত করতো। অবশ্যই জবস বছরে এক ডলারের বেশি আয় করতো। ২০০০ সালে রেকর্ড পরিমান কম্পিউটার বিক্রি করতে পারার কারনে তাকে ৮৮ মিলিয়ন ডলার দিয়ে প্রাইভেট জেট প্লেন দিয়ে ধন্যবাদ জানানো হয়। ফোর্বস ২০১০ এর মতে, তিনি ছিলেন বিশ্বের ১৩৬ তম ধনী ব্যক্তি।

blog-images-1349202732-fondo-steve-jobs-ipad

জবস এর নেতৃত্বদান পদ্ধতি অন্যান্য সকল গাইডের বিপক্ষে যেতে পারে। তবে তার নেতৃত্ব ভোক্তাদের জন্য এ্যাপলকে এনে দিয়েছিলো সফল কিছু ইলেক্ট্রনিকস যা মার্কেট শেলভকে নাড়া দিয়েছিলো। তার কঠোর ও নির্মম হওয়ার রেকর্ড থাকা সত্বেও, জবস অর্জন করেছিলেন ব্যাপক সম্মান।

ধন্যবাদ.

আরো অজানাকে জানুন

Alibaba.com এর প্রতিষ্ঠাতা “জ্যাক মা” এর সফল হওয়ার গল্প

“জ্যাক মা” সফল এর স্বপ্ন ছোঁড়ায়

জ্যাক মা অথবা মা ইউন  একজন চীনা উদ্যোক্ত ও মানবপ্রেমী ব্যাক্তি। সে আলিবাবা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। চীনের ই-কমার্স জায়ান্ট  আলিবাবা’র প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা আলিবাবা প্রতিষ্ঠার আগে চাকরির জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছিলেন। ৩০টি প্রতিষ্ঠানে চাকরি চেয়েও প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন আলিবাবা’র জ্যাক মা। কিন্তু কেএফসিসহ ৩০টি প্রতিষ্ঠানে চেষ্টা করেও কোন চাকরি জোগাড় করতে পারেননি তিনি।

alibaba-jack-ma-china-e-commerce

সম্প্রতি মার্কিন সাংবাদিক চার্লি রোজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের এমনই কিছু কঠিন বাস্তবত কথা  তুলে ধরেন তিনি। তিনি জানান, এনট্রান্স পরীক্ষায় দুইবার অকৃতকার্য হয়েছিলেন তিনি। একবার অকৃতকার্য হওয়ার পর তিনি ভিন্ন ভিন্ন ৩০টি প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আবেদন করেন। কিন্তু সবগুলো প্রতিষ্ঠানই তাকে হতাশ করে। তিনি আরও বলেন, “আমি পুলিশে চাকরির জন্যও চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু আমাকে সেখানেও অনুপযুক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আমাদের এখানে যখন কেএফসি চালু হয়, তখন আমি সেখানেও চাকরি নেওয়ার চেষ্টা করি। আমরা একসাথে ২৪ জন চাকরির জন্য আবেদন করেছিলাম। আমি ছাড়া বাকি ২৩ জনেরই সেখানে চাকরি হয়েছিল। আমিই একমাত্র ব্যক্তি যার চাকরি হয়নি।

ঙয

তিনি জানান, পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে আলিবাবা প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। কিন্তু সে সময় তাকে নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার পর তিন বছর কোন লাভের মুখ দেখতে ব্যর্থ হয় তার প্রতিষ্ঠান। সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল লেনদেন করা নিয়ে। লেনদেনের সমস্যা দূর করতে তিনি আলিপে চালুর সিদ্ধান্ত নেন। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য লেনদেন আরও সহজ করতে চেয়েছিলেন তিনি। তখন অনেকেই জ্যাক মা’র আলিপে চালুর সিদ্ধান্তকে ভুল বলে মনে করেছিলেন। তবে খুব দ্রুতই অবস্থার পরিবর্তন ঘটতে থাকে। বর্তমানে প্রতিদিন আলিবাবা ব্যবহার করেন ১০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী। আর আলিপের বর্তমান গ্রাহক ৮০০ মিলিয়নেরও বেশি। আর সব মিলিয়ে জ্যাক মা’র সম্পদের পরিমাণ ২০৪০ কোটি ডলারেরও বেশি।

10424348_417818455050187_2730800627290542006_n

প্রতেক মানুুষের মাঝেই লুকায়িত প্রতিভা থাকে । পরীক্ষায় ফেল করা ও আকাখ্তি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে না পারা মানে এই নয় যে তাকে দ্বারা কিছু সম্ভব না। জীবনে সফল হতে হলে শুধু প্রয়োজন একাগ্র পরিশ্রম ও সফল হওয়ার প্রচন্ড আক্ঙাখা।

জ্যাক মা সম্পর্কে আরও জানতে এই লিঙ্কে প্রবেশ করুন।

ধন্যবাদ